ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামের মতো ডিজিটাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রভাবকদের রয়েছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা আর প্রবেশাধিকার। বিশেষত যুব সমাজের মধ্যে। বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর ৫৪ শতাংশেরই বয়স ৩৪ বছরের নিচে।
আর সেই সুযোগটি নিয়েই চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের আইসিটি বিভাগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় লসঅ্যাঞ্জেলস ভিত্তিক প্রভাবক বিপনন সংস্থা জোম্যাড। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর প্রভাবকদের নিয়ে একটি পরিষদ গঠনের প্রস্তাবনা নিয়েই এই চুক্তিটি সম্পাদিত হয়।
চুক্তির অনুযায়ী সংস্থাটির সিইও রব পেরি চেয়েছিলেন, ৫০০ প্রভাবক নিয়ে গঠিত হবে এই পরিষদটি। একাট্টা হয়ে তারা কাজ করবেন স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও পরিবেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সচেতনতা সৃষ্টিতে। তখন তিনি ধারণাও করতে পারেননি, কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সচেতনতার বিষয়টিও বাংলাদেশের আইসিটি বিভাগ তক্ষুণি অন্তর্ভূক্ত করতে চাইবে।
জানাগেছে, এপ্রিলের শুরুতেই দু’শো প্রভাবকের একটি দল এক্ষেত্রে কাজ শুরু করেছে। সদস্য সংখ্যা ৫ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা এখন বাস্তবায়নের পথে।
এ বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন,
গতানুগতিক গণমাধ্যমে যুব সমাজের কাছে পৌঁছানো সত্যিই দুরুহ। তাই সোশ্যাল লিডার কাউন্সিল এক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে। এর মাধ্যমে অত্যন্ত কার্যকরভাবে আমরা যুব সমাজের কাছে পৌঁছতে পারি। আমরা চাই, জনগণ তথ্য জানুক আর জানাক তাদের প্রতিক্রিয়া।